ফলো করুন
বাংলাদেশ

স্বপ্নভঙ্গ ও কারাভোগের গ্লানি নিয়ে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলেন নারী-শিশুসহ ৩৩ জন

ছবি: রিপোর্টার কর্তৃক সংগ্রহ

ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।



​ফেরত আসাদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ৬ জন শিশু রয়েছে। তাঁরা পাবনা, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, বরিশাল, পিরোজপুর ও সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— আব্দুল্লাহ (৩৬), হোসেন আলী (২৯), মফিজুল হক (৩৪), মোকামজেল হোসেন (২৮), শ্যামল ভুইয়া (২৮), মনির হোসেন (২৮), আব্দুর রশিদ (২৩), মামুন শেখ (২৯), শিপন ইসলাম (৩৪), মনির শেখ (৩৪), আনিছুর রহমান (৩৫), সুমন মিয়া (২৩), মুনসুর আলী (২৪), রিফাত মিয়া (১৯), রুমা খাতুন (২৮), হাসান শেখ (২৪), তানভির শেখ (৬), শ্রাবণী (৪), রাখি (৩৪), রহমত উল্লাহ (৭), রুখসানা (৩), নাজমা, মোহাম্মাদ বাবু ভুইয়া (১৮), সুমা খাতুন (৫), খলিল বাঘা (২৩), আবুল বাশার (৩৩), সুলাইমান (২৩), মিলন খান (২৭) ও জুলহাস বেপারী।



​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন এই নাগরিকরা। ভারতের চেন্নাই শহরে রাজমিস্ত্রি ও বাসাবাড়ির কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে তাঁরা আটক হন। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে (১ থেকে ২ বছর) কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।



​কারাভোগ শেষে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা তাঁদের ছাড়িয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘ চিঠি চালাচালির পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাঁরা দেশে ফেরার সুযোগ পান। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা জানান, “ফেরত আসা নাগরিকরা পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই চোরাই পথে ভারতে গিয়েছিলেন। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।



​যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কোঅর্ডিনেটর শফিকুর রহমান বলেন, “দালালদের খপ্পরে পড়ে তাঁরা সীমান্ত পাড়ি দিয়েছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমরা সংস্থাটির পক্ষ থেকে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছি।

আরও পড়ুন

এই প্রতিবেদনটি কেমন লাগলো?

মোট রিঅ্যাকশন:

মন্তব্য ()

সাইন-ইন
নাম ও ইমেইল প্রদান করা বাধ্যতামূলক

দ্রষ্টব্য: প্রতিটি মন্তব্য পর্যালোচনা করা হয়। অপ্রাসঙ্গিক ও আপত্তিকর মন্তব্য প্রকাশিত হয় না।

পরবর্তী ভিডিও