April 3, 2025, 7:32 am
শিরোনাম:

দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গিয়ে মিথ্যা আপবাদে জর্জরিত আনিস

জেড এ নিলয়, প্রতিনিধি জামালপুর

শেরপুরের কুমড়ী তেঘুরিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় দীর্ঘ  চব্বিশ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে মো: সামিউল হক।

মাদ্রাসার এরিয়ার জমি ছাড়া  সকল জমি বিক্রি এবং শিক্ষক নিয়োগে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এসেছে।

এ বিষয়ে আনিস বলেন,  মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে। কোনদিন দুই থেকে চারজন কোনদিন পাঁচ থেকে ছয় জন। কিন্তু অন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাথীদের রেজিস্ট্রেশন এই প্রতিষ্ঠানে হয় বলে শিক্ষকরা এই অবধি বেতন ভোগ করে আসছে।

তিনি আরো বলেন,  প্রতিষ্ঠানের ভেতরে নানা স্থাপনা সহ প্রতিষ্ঠানকে এলাকাবাসী বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে।

আর এই প্রতিষ্ঠান স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমি  দুই তারিখের অবস্থান কর্মসূচি ডাক দেয়। এবং কিছু স্বেচ্ছাসেবকদেরকে অবস্থান কর্মসূচির বিষয়গুলো তদন্ত করে ডিসি অফিসে একটি স্মারকলিপি প্রদান করতে চাই। শিক্ষক এবং কমিটির সকল দুর্নীতি বের হয়ে আসবে বলে তারা নানা ধরনের পরিকল্পনা করার চেষ্টা করে অবশেষে একপ্রকার মারামারি পরিবেশ সৃষ্টি করে। যার ফলে আমি স্মারকলিপিটা জমা দিতে পারি না।

আমাকে ধামিয়ে রাখার জন্য তারা ভূয়া সমন্বয়ক বলে প্রকৃত সমন্বয়কদেরকে উস্কিয়ে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয়।এবং বলা হয়,  ভূয়া সমন্বয়ক সেজে মাদ্রাসায় চাঁদাবাজি  করতে এসেছে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার সাংবাদিককে সাক্ষাৎকারে বলেন, আনিস দুই তারিখে  লোক নিয়ে এসে আমাদের মাদ্রাসায় চাঁদা দাবি করতে আসছিল।

এ বিষয়ে মাদরাসার সহকারি শিক্ষক মাহমুদুল হক লাইব্রেরিয়ান  বলেন , আনিস কখনই নিজেকে সম্নয়ক দাবি করিনি এরকম কোনো প্রমাণ কখনোই তারা দেখাতে পারবেনা।তাকে  মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে। এবং সে চাঁদা চেয়েছে এমন কোন উপযুক্ত প্রমাণও তারা দেখাতে পারবে না।

জনাব মো আবুল কাশেম বলেন, ২ তারিখে অবস্থান কর্মসূচি ডাক দেওয়াই অনেক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিল। তারা ২ তারিখে চাঁদাবাজির কথা বলায় অনেক নেতাকর্মী শিক্ষকদের উপর চড়াও হয় যার ফলে তারা তারিখ পরিবর্তন করে বলে সানু এমপি-র সময়  চাঁদা দাবি করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেই ।

স্থানীয় বাসিন্দা মো: রুকনুজ্জামান বলেন, সবগুলো আনিসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কেননা সরকার থাকা কালে কোন সম্নয়ক ছিল না কিন্তু পত্রিকায় সম্নয়ক কথাটি উল্লেখ্য আছে।

মাদ্রাসায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা সামিউল হক বলেন,সে এবং তার বাপ সম্নয়ক সেজে মাদ্রাসায় চাঁদা দাবি করেন।

মাদ্রাসায় মেনেজিং কমিটি সদস্য জনাব, মোঃ বেলায়েত হোসেন বলে,আনিস দুই তারিখে বহিরাগত পোলাপান নিয়ে এসে এই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের উত্যক্ত করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *